Conversation with a Friend

___, তোর প্রশ্নের জবাব আমি দেই। আমি জন্মের পর থেকে বাংলাদেশে ছিলাম। এখন গত ৬বছর ধরে আমেরিকায়। আশা করি এ দুটো দেশ এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে আমার কিছুটা ধারনা হয়েছে। তুই জানতে চাইলি জাতি হিসেবে আমরা কেমন। আমি বলবো, জাতি হিসেবে আমরা অত্যন্ত সৎ, সরল, লালসাহীন  এবং মনুষত্ববোধসম্পন্ন একটা জাতি। অন্য দিকে আমেরিকানরা জাতিগতভাবে অর্থলোভী একটা জাতি। ব্যাক্ষায় আসছি পরে, তার আগে তুই যে ২য় প্রশ্নটা করলি সেটার জবাব দিয়ে নেই। একটা দেশে কি পরিমান অপরাধ হয় তা নির্ভর করে ২টা বিষয়ের উপর — দেশে শিক্ষার বিস্তার কতখানি এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কতটা সক্রিয়।  শিক্ষা মুল্যবোধ বিস্তার করে। শিক্ষার অভাবে মানুষ না বুঝে অপরাধ করে। আর যারা বুঝে অপরাধ করতে চায় তারা পুলিশের ভয়ে অপরাধ থেকে বিরত থাকে। আমাদের দেশে তো এই দুইটা ব্যাবস্থাই পুরোপুরি ভেংগে পরেছে। কিন্তু তারপরও তুই গ্রাম এ গিয়ে যদি একটা অশিক্ষিত কৃষককে দেখিস, তুই তার মধ্যে অসামান্য বন্ধুত্ব আর মানবতাবোধ দেখতে পারবি। এটাই আমাদের জাতিগত বৈশিষ্ট্য।  আমাদের দেশে পুলিশ প্রশাসন আর বিচার ব্যাবস্থা পুরোপুরি অকার্যকর।  কাজেই অপরাধ হবেই। কিন্তু যদি তুলনামূলক বিচারে নামিস তাহলে চিন্তা কর, যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর সবচেয়ে ধর্ষণ প্রবন দেশ। বাংলাদেশের জনসংখ্যা যুক্তরাষ্ট্র এর অর্ধেক।  তো সেই হিসেবে আমাদের দেশে ধর্ষনের পরিমান যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেক হওয়া উচিত অন্তত। কিন্তু এত নিম্নমানের পুলিশ বাহিনি আর শিক্ষাব্যাবস্থা নিয়েও বাংলাদেশে ধর্ষনের পরিমান কিন্তু অনেক কম। কেন? শুধু একটা অপরাধের উদাহরণ দিলাম। অন্যগুলোতেও একই রকম চিত্র দেখতে পারবি। আমেরিকায় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর অমানবিকতার চিত্র আঁকতে গেলে আক্ষরিক অর্থেই একটা বই লিখতে হবে। আমার গাড়ি এক্সিডেন্টের পর চৈতী যখন ইনজুরড হলো তারপর থেকে আমেরিকার স্বাস্থ্য ব্যাবস্থার যে করুন চিত্র দেখে আসছি তা নিয়ে আরেকদিন কথা বলা যাবে। এ সবই কিন্তু হচ্ছে অসাধারণ পুলিশ প্রশাসন আর উন্নততম শিক্ষা পাওয়ার পরও। কাজেই আমি মনে করি “জাতি হিসেবে” আমরা অনেক উন্নত। আমাদের শুধু কিছু সুযোগসুবিধার অভাব আছে (শিক্ষা, বিচার, কর্মঠ পুলিশ)।

এবার আসি নিজেদের ভালোর দিকে তাকানো উচিত না খারাপের দিকে সে প্রশংগে। আমার ব্যাক্তিগত পর্যবেক্ষণ,  মানুষ হিশেবে আমারা যখন শুধু খারাপের দিকে তাকিয়ে থাকি, তখন নিজেরাও খারাপের চর্চাই করি। আর ভালোর দিকে তাকালে ভালোর চর্চা করি। খেয়াল করে দেখিস, পৃথিবীতে যাদেরই বড় বড় অবদান, তারা সবাই কিন্তু অসম্ভব আশাবাদি মানুষ।  আমাদের জাফর ইকবালকে দেখ।

জানি আমার কথা তোর কাছে হয়তো পুঁথিগতবিদ্যা মনে হবে। কিন্তু পৃথিবীর ইতিহাসে পুথির অবদান কিন্তু কম না!

vi re, deser manus er koto durdosa bidese boisa bujha muskil, protita step e problem….dese ai, dekh. hoito mukhe kharap bolbi na, kintu valo tao bolte atkabe. publicly obhabe bolte bhalo lagche na, tai sms dilam
ha, baire theke jemon desher -ve jinishgula kom chokhe pore, thik temon e deshe thakleo desher desher positive jinishgula kom chokhe pore. Ami 6 bochhor age bangladeshe thakar shomoy deshe protidin 4/5 ghonta loadshedding dekhe eshechi. Ekhon koto ghonta loadshedding hoy daily? ami chhotobelay dekhechi graamer bachhara school e jeto na. bashabari te kaj korto. Ekhon koyta bachha pawa jay bashay kaj korar jonno?
Dosto, shob kichui ashole relative, perspective dependent. But ami mone kori positive perspective er chorcha kora amader desher jonno khub e dorkar
bisshash kor, USA te eshe ami dekhechi, amader desher average student ra American average student der theke technically kono ongshei kom jay na. shudhu ektai shomossa … amra hotashabadi. Ar je kono jinisher -ve jinish ta age dekhi
eta onekbhabei amader shudhu khoti kore
eta jara baad dite paare tara onek dur jay
Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s